দাগনভুঁইয়ায় মাদ্রাসায় শিশু শিক্ষার্থীকে শিকল বেঁধে নির্যাতন

Anweshan Desk

মানবাধিকার ডেস্ক

১৩ জুন ২০২২, ২০:১২ পিএম


দাগনভুঁইয়ায় মাদ্রাসায় শিশু শিক্ষার্থীকে শিকল বেঁধে নির্যাতন

ফেনীর দাগনভুঁইয়ার পূর্বচন্দ্রপুর ইউনিয়নের দেউলিয়া নুরানীয়া হাফেজিয়া মাদ্রাসার হেফজ বিভাগের এক শিক্ষার্থীকে লোহার শিকল দিয়ে বেঁধে নির্মম নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। পায়ে লোহার শিকল বেঁধে নির্যাতনের আলামত পেয়ে পুলিশ ওই মাদ্রাসার অধ্যক্ষকে আটক করেছে।

 

ফেনীর দাগনভূঞা উপজেলায় এ ঘটনা ঘটেছে। ১০ বছর বয়সী ওই শিশু উপজেলার পূর্বচন্দ্রপুর ইউনিয়নের দেউলিয়া নুরানীয়া হাফেজিয়া মাদ্রাসার নাজেরা শ্রেণির আবাসিক ছাত্র ছিল। নির্যাতন সইতে না পেরে পালানোর সময় গত শনিবার (১১জুন) রাতে উপজেলার পূর্বচন্দ্রপুর এলাকা থেকে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে।

 

                                                                                                         ছবিঃ  নিপীড়ক মাদ্রাসার অধ্যক্ষ ফখরুল ইসলাম

 শিশুটির বাবা সাংবাদিকদের বলেন, চলতি বছরের শুরুতে দেউলিয়া নুরানীয়া হাফেজিয়া মাদ্রাসার হেফজ বিভাগে ছেলেকে ভর্তি করান। এরপর থেকে তার ছেলেসহ আরও অনেক শিক্ষার্থীকে মাদ্রাসায় নির্যাতন করা হতো বলে জানা যায়।

“গত শুক্রবার ছেলে মাদ্রাসা থেকে পালিয়ে যায় এবং নির্যাতনের বিষয়টি আমাকে জানায়। সে মাদ্রাসায় আর পড়বে না বললেও আমি বুঝিয়ে শনিবার বিকালে ফের মাদ্রাসায় রেখে যাই।”

শিশুটির বাবার অভিযোগ, পালিয়ে বাড়ি আসার বিষয়টি জেনে অধ্যক্ষ শিশুটিকে লোহার শিকলে বেঁধে মাদ্রাসার একটি কক্ষে আটকে রাখেন এবং লাঠি দিয়ে নির্দয়ভাবে পিটিয়ে জখম করেন।

“শনিবার রাত ৩টার দিকে সে বাথরুমে যাওয়ার কথা বলে পালিয়ে যায়; ওই সময় সড়কে নেমে আসলে টহলরত পুলিশের একটি দল তাকে দেখে উদ্ধার করে।”

দাগনভুঞা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হাসান ইমাম  জানান, ঘটনার খবর পেয়ে রবিবার অভিযুক্ত অধ্যক্ষ ফখরুল ইসলামকে আটক করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। এ ঘটনায় কেউ অভিযোগ দিলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

৩৩ বার পঠিত

মানবাধিকার থেকে আরও


Link copied