জাবিতে ধর্ষণকাণ্ড : মূল পরিকল্পনাকারীসহ গ্রেপ্তার ৬

Anweshan Desk

Anweshan Desk

০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১৩:২৬ পিএম


জাবিতে ধর্ষণকাণ্ড : মূল পরিকল্পনাকারীসহ গ্রেপ্তার ৬

ছবি : অভিযুক্ত মামুনুর রশিদ ও মো. মুরাদ

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) বহিরাগত এক নারীকে দলবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় আরও দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ধর্ষণের মূল পরিকল্পনাকারী মামুনুর রশিদ ওরফে মামুনকে রাজধানীর ফার্মগেট এলাকা থেকে এবং ধর্ষণের অন্যতম সহায়তাকারী মো. মুরাদকে নওগাঁ থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

বুধবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন র‌্যাব সদর দপ্তরের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক খন্দকার আল মঈন। 

তিনি জানান, ধর্ষণের মূল পরিকল্পনাকারী মামুনুর রশিদ ওরফে মামুনকে গার্মেন্টসে চাকরি করলেও পরবর্তী সে মাদক ব্যবসায় জড়িয়ে পড়ে এবং জাহাঙ্গীর বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় মাদক সাপ্লাই দেয়। তিনি এও জানান যে মূল আসামী মুস্তাফিজুর রহমান সহ বাকি অপরাধীরা ছিল তার মাদকের ক্লায়েন্ট। মামুনের নামে ৮টি মাদক মামলার রয়েছে এবং সে ৪বার কারাভোগও করেছে।

এর পূর্বে গত শনিবার ( ৪ ফেব্রুয়ারী ) দিবাগত রাতে ছাত্রলীগ নেতা মোস্তাফিজুর রহমানসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সাভার মডেল থানার পুলিশ ও আশুলিয়া থানার পুলিশ যৌথভাবে এ ঘটনায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেফতার করে।

মূল আসামি ছাত্রলীগ নেতা মুস্তাফিজুর রহমানসহ গ্রেফতার চারজন

জানা গেছে, ওই দম্পতির বাড়িতে ভাড়া থাকতেন মামুন। এর পরিপ্রেক্ষিতে শনিবার সন্ধ্যায় ভুক্তভোগীর স্বামীকে বিশ্ববিদ্যালয়ে ডেকে নিয়ে আসেন মামুন। তারপর তাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের মীর মশাররফ হোসেন হলের ‘এ’ ব্লকের ৩১৭ নম্বর কক্ষে আটকে রাখেন। এরপর তার স্ত্রীর মাধ্যমে নিজের রেখে আসা জিনিসপত্র আনতে বলেন মামুন। এগুলো নিয়ে ক্যাম্পাসে আসেন ওই নারী। পরে জিনিসপত্র নিয়ে মামুন হলের ভেতরের ওই কক্ষে রেখে আসেন। এরপর তার স্বামী অন্য দিক থেকে আসবেন বলে ওই নারীকে হল-সংলগ্ন জঙ্গলে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে সেখানে তাকে ধর্ষণ করা হয়।

ভুক্তভোগী ওই নারী বলেন, ‘মামুন ভাই আমাদের বাসায় ভাড়া থাকতেন। তিনি আমার স্বামীর মাধ্যমে ফোন দিয়ে আমাকে তার রেখে যাওয়া জিনিসপত্র নিয়ে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে যেতে বলেন। আমি জিনিসপত্র নিয়ে ক্যাম্পাসে যাই। তখন তিনি আমাদের বাসায় থাকবেন না বলে জানান। মীর মশাররফ হোসেন হলের মোস্তাফিজ ভাইয়ের কাছে থাকবেন বলে জানান।’

ওই নারী বলেন ‘এরপর মামুন ভাই আমার কাছ থেকে তার জিনিসপত্র নিয়ে হলে রেখে আসেন। পরে আমার স্বামী অন্য দিক থেকে আসবে বলে আমাকে হলের সামনে থেকে পাশের জঙ্গলের মধ্যে নিয়ে যান। তার সঙ্গে মোস্তাফিজ ভাইও ছিলেন। তখন তারা আমাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন।

সাক্ষাৎকার থেকে আরও

কোনো খবর পাওয়া যায়নি


Link copied